Emergency Medicine: Postgraduation & Career Opportunities for BD Doctors

ইমার্জেন্সি মেডিসিন ডাক্তারদের জন্য একটা নতুন স্পেশিয়ালিটি। দেখে এটাকে মেডিসিন এর পার্ট বলে মনে হলেও, অথবা হিস্ট্রিক্যালি এটাকে সার্জারির পার্ট মনে হলেও, বেসিক্যালি এটা একটা নতুন স্পেশিয়ালিটি।

টু মেক ইট ক্লিয়ার, ইমার্জেন্সির ডাক্তারের যেমন ডায়াবেটিক কিটোএসিডোসিস (মেডিসিন) এর ম্যানেজমেন্ট করতে হয়, সাথে শোল্ডার রিডাকশান (অর্থো) ও করতে হয়। পেশেন্ট ব্লিডিং নিয়ে আসলে সুচার দিয়ে ব্লিডিং কন্ট্রোল ও করতে হয়, সার্জিক্যাল চেস্ট ড্রেন টিউব ও দিতে হয়,ও বেড সাইড আল্ট্রাসোনোগ্রাম করতে হয়। ইমার্জেন্সি মেডিসিন এর ডাক্তাররা থোরাকস্টমি সার্জারি ও করেন আবার রেপিড সিকুয়েন্স ইন্ডাকশান এর মাধ্যমে এনেস্থেশিয়া দিয়ে ইন্টুবেশান ও করেন।)) – এটা হয়তো ক্লিয়ার এখন যে এটা শুধু মেডিসিন বা সার্জারি নয়।

এই ব্রিফ আইডিয়া দেয়ার প্রধান কারণ হচ্ছে, কিছু ভুল আইডিয়া প্রথমেই দূর করে দেয়া!

যেহেতু প্রথমেই বলা হয়েছে, ইমার্জেন্সি মেডিসিন একটা নতুন স্পেটিয়ালিটি এবং আবারো বলে নিচ্ছি এটা মেডিসিন বা সার্জারির পার্ট নয়। অনেকে যারা এটা ভেবেছেন বা অনেক যায়গাতে জানতে চেয়েছেন যে এটাতে ক্যারিয়ার করার জন্য MRCP বা MRCS আগে করতে হবে কিনা। ব্যপারটাকে ক্লিয়ার করার জন্য বলছি যে, ইমার্জেন্সি মেডিসিন এ ক্যারিয়ার এর জন্য এর কোনোটার ই দরকার নেই, ইমার্জেন্সি মেডিসিন এর রিকডনাইসড ইউকে ডিগ্রী হচ্ছে, MRCEM & FRCEM.

MRCEM – Membership of Royal College of Emergency Medicine

FRCEM – Fellowship of Royal College of Emergency Medicine

এখন আসুন প্রাইমারি আলোচনায়, বাংলাদেশের একজন ডাক্তার কিভাবে এই স্পেশিয়ালিটিতে ক্যারিয়ার করতে পারেন এবং পৃথিবি-র প্রেস্টিজিয়াস ইউকে ট্রেনিং নিয়ে কনসাল্টেন্ট হতে পারেন।কিছু ব্যপার এখানে মোস্ট ইম্পরটেন্ট –

১। এক্সাম
২। ট্রেনিং
৩। ইউকে জব + ট্রেনিং
৪। কনসাল্টেন্ট পোস্ট + জব

 

১। এক্সাম –

আগেই মেনশান করা হয়েছে যে, ইমার্জেন্সি মেডিসিন এর এক্সাম হচ্ছে MRCEM & FRCEM। এখানে প্রধানত MRCEM এর ব্যপারে মেনশান করছি কেননা, FRCEM এর জন্য ব্রিটিশ হায়ার স্পেশিয়ালিটি ট্রেনিং প্রয়োজনিয়। MRCEM এর তিনটি পার্ট।
a. FRCEM primary – এক্সাম MRCEM হলেও, এর জন্য FRCEM এর বিভিন্ন পার্ট করতে হয়। প্রধানত এই FECEM primary এক্সাম একটি সিঙ্গেল বেস্ট এমসিকিউ এক্সাম যেটাতে প্রধানত ইমার্জেন্সি মেডিসিন বেসিক সাবজেক্টস নিয়ে পরীক্ষা হয়।
b. FRCEM Intermediate SAQ – এটা সেকেন্ড পার্ট, এটা Short Answer Question এক্সাম, এবং, এটা ইমার্জেন্সি মেডিসিন এর জেনারেল নজেল এর উপর হয়ে থাকে।
c. MRCEM OSCE – এটা বলতে পারেন, MRCEM এর ফাইনাল পার্ট। এটা একটা OSCE এক্সাম। এই এক্সাম অনেকটা MRCP and MRCS ফাইনাল পার্ট এর মতো। এটা পাস হলেই, MRCEM ডিগ্রী পাওয়া যায়।

২। ট্রেনিং –

ইউকেতে ইমার্জেন্সি মেডিসিন এর ট্রেনিং আর অন্য সব ট্রেনিং এর মতো হেলথ এডিকেশান ইংল্যান্ড এর মাধ্যমে পরিযালিত হয়। ইমার্জেন্সি মেডিসিন-এর ট্রেনিং এর বিভিন্ন এন্ট্রি পয়েন্ট আছে এক্সপেরিয়েন্স অনুযায়ী, তবে, সবচেয়ে পপুলার এন্ট্রি হচ্ছে ACCS Emergency Medicine Run Through প্রোগ্রাম।

এটাতে ঢুকতে হলে আগে ইউকে তে ইমার্জেন্সি মেডিসিন-এর ট্রেনিং থাকা রিকমেন্ডেড। এই ট্রেনিং এ ঢুকার জন্য MBBS ব্যতীত আর কোনো ডিগ্রী থাকা বাধ্যতামূলক নয়। সেজন্য অনেক জনিয়র / নতুন ডক্তারের কাছেই এটা ইন্টারেস্টিং এন্ট্রি। আরও ডিটেইলস এ জানতে – https://emergency-medicine.co.uk/2018/08/02/emergency-medicine-career-in-uk/

এই ট্রেনিং ৬ বছরের ট্রেনিং, এটা এবং FRCEM সফলভাবে শেষ হলে, ইউকে বা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে (সিঙ্গাপুর, মিডল ইস্ট, ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া) কন্সালটেন্ট হিসেবে কাজ করা যায়। যেহেতু ইমার্জেন্সি মেডিসিন একটা নতুন স্পেশিয়ালিটি, খুব বেশি দেশে এর ট্রেনিং হয়না, সেজন্য ইউকের ইমার্জেন্সি মেডিসিন ট্রেনিং পুরা পৃথিবীতেই খুব রেস্পেক্টেড।

৩। ইউকে জব এবং ট্রেনিং

এটা আপাতত মোস্ট ইমপর্টেন্ট পার্ট। আপনারা যারা খোজ খবর রাখেন, তারা জানেন যে মাঝে ইংল্যান্ড এ ডাক্তার সংকট ছিলো, যা এখন অনেকটাই কমে আসতে শুরু করেছে, যদিও সম্পূর্ন শেষ হয়নি। এমন অবস্থায় যেকোনো ফার্স্ট ওয়াল্ড দেশে চাকরি নিয়ে ঢুকা অবশ্যই অন্যান্য সময়ের চেয়ে কম স্ট্রেসফুল হয়।

কিকি ভাবে জব এন্টি নেয়া যেতে পারে, আমি রিকমেন্ড করবো PLAB দিয়ে ঢুকা। টু আপডেট, PLAB হচ্ছে ইউকে এর ডাক্তার রেজিস্ট্রেশান এক্সাম। প্লাব এর ২ টা পার্ট,ও যদিও এটা হওয়ার আগে, OET বা IELTS পাশ করতে হয়।

আরেকটা এন্ট্রি পয়েন্ট হচ্ছে, MRCEM দিয়ে আসা। MRCEM GMC এর একটা রিকডনাইসড পোস্ট গ্রাডুয়েশান এক্সাম। MRCEM + OET/IELTS থাকলে, ইউকে এর রেজিস্ট্রেশান, যা GMC রেজিস্ট্রেশান নামে পরিচিত, সেটা পাওয়া যাবে।

৪। কনসাল্টেন্ট পোস্ট + জব

ট্রেনিং প্লাস FRCEM শেষ হলে, GMC CCT নামে একটা সার্টিফিকেট দেয়। CCT দিয়ে ডাক্তাররা ইউকে এর কনসাল্টেন্ট হিসেবে জব করতে পারেন। ইউকে এর ট্রেনিং,ও FRCEM ও CCT পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ (অস্ট্রেলিয়া, সিঙ্গাপুর, মালেশিয়া, মিডল ইস্ট) ডাইরেক্টলি রিকগনাইজ করে, সেজন্য ইউকে এর পাশাপাশি এই সব দেশ এ ও কনসাল্টেন্ট হিসেবে চাকরি করা যেতে পারে। বাংলাদেশ -এ ইমার্জেন্সি মেডিসিন একটা নতুন স্পেশিয়ালিটি, আমরা বিশ্বাস করি দেশের ইমার্জেন্সি মেডিসিন ডাক্তার যতো বাড়বে দেশে ও সম্ভাবনা ততই বাড়বে। অবশ্য এর সম্ভাবনা বাড়ানোর ক্ষেত্রে আমাদের ও ভূমিকা আছে।

সো সঠিক স্টেপ নিলে এখন থেকে ৭-৯ বছরের ভিতর ইউকে ইমার্জেন্সি মেডিসিন এর কন্সাল্টেন্ট হওয়া সম্ভব

আমি এখানে ইমার্জেন্সি মেডিসিন নিয়ে একটা ব্রিফ আইডিয়া দেয়ার চেষ্টা করেছি। কেননা আমাদের বেশিরভাগের ভিতরই আইডিয়া ক্লিয়ারনা।

অনেকের প্রশ্ন থাকতে পারে, এত দিন ভিসায় কিনা, না, ৫ বছর ইউকে তে ডাক্তার হিসেবে জব করলে (ইনক্লুডিং ট্রেনিং), আইএলআর, আর তার এক বছর পর ব্রিটিশ সিটিজেনশিপ, আর যেহেতু আপনারা জানেন ডাক্তারি একটা প্রচন্ড রেস্পেক্টেড জব, সাধারণত ডাক্তারদের এই ভিসা বা সিটিজেন ইস্যু নিয়ে সমস্যা হয় না।

আমরা EMBD – Emergency Medicine for Bangladeshi Doctors – এর মাধ্যমে যাত্রা শুরু করেছই মাত্র। আমরা এসব নিয়ে ডিটেইলস লিখবো সামনে।

আপনাদের কোন জিজ্ঞাসা থাকলে যদি দয়া করে EMBD – Emergency Medicine for Bangladeshi Doctors গ্রুপে করেন, আমাদের টিম এর জন্য উত্তর দেয়া সহজ হয়।

যদি আপনাদের কাছে এই ব্রিফ আইডিয়াটা ভালো লাগে, দয়া করে অন্যান্য যারা ব্যপারটা নিয়ে জানে না, তাদের কাছে শেয়ার করার রিকোয়েস্ট করছি।

ধন্যবাদ।


Dr. Nehal H Sarja
ST2 trainee (Emergency Medicine)
https://about.me/drnhsarja

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s